1সদাপ্রভুু, আমার শক্তি,
2সদাপ্রভুু আমার শৈল,
3আমি সদাপ্রভুুকে ডাকি যিনি প্রশংসার যোগ্য
4মৃত্যুর দড়ি আমাকে ঘিরে ধরেছিল
5পাতালের দড়ি আমাকে ঘিরে ধরেছে;
6বিপদের মধ্যে আমি সদাপ্রভুুকে ডাকলাম;
7তখন পৃথিবী নড়ে উঠল
8তাঁর নাক থেকে ধোঁয়া বের হল
9তিনি আকাশকে নত করেন
10তিনি যিনি করূবের18:10 করূব বহুবচন “করূবেরা” পুরোনো নিয়মে একটি ডানা বিশিষ্ট প্রাণী এ সদাপ্রভুর স্বর্গীয় সিংহাসন পাহাড়া দিচ্ছে চরে উড়ছেন,
11তিনি তাঁর চারপাশে অন্ধকারের একটি তাঁবু তৈরী করেন,
12তাঁর সামনে বিদ্যুৎ থেকে,
13সর্বশক্তিমান সদাপ্রভুু আকাশে গর্জন করলেন!
14তিনি তাঁর তীর ছুঁড়লেন
15তখন জলরাশির প্রণালী পথ প্রকাশ পেল।
16তিনি উপর থেকে নিচে এসেছেন
17আমার শক্তিশালী শত্রু কাছ থেকে তিনি আমাকে উদ্ধার করলেন,
18আমার কষ্টের দিনের তারা আমার বিরুদ্ধে এসেছিল
19তিনি আমাকে একটি খোলা প্রশস্ত স্থানে বের করে নিয়ে এলেন;
20আমার ধার্মিকতার কারণে সদাপ্রভুু আমাকে পুরস্কৃত করেছেন;
21কারণ আমি সদাপ্রভুুর পথে চলেছি
22তাঁর সমস্ত ধার্মিক শাসন আমার সামনে ছিল;
23আমি তাঁর সামনে নির্দোষ ছিলাম
24তাই সদাপ্রভুু আমার ধার্মিকতার জন্য,
25একজন বিশ্বস্ত ব্যক্তির প্রতি,
26সরলদের প্রতি তুমি নিজেকে সহজ দেখাও
27কারণ তুমি দুঃখী লোকেদের রক্ষা কর,
28তুমিই আমার প্রদীপের আলো উজ্জ্বল করেছ;
29কারণ তোমার সাহায্যেই আমি একটি সৈন্যদলের বিরুদ্ধে দৌড়াই;
30ঈশ্বর হিসাবে,
31কারণ সদাপ্রভুু ছাড়া আর কোন ঈশ্বর নেই?
32ঈশ্বর শক্তি দিয়ে আমাকে পথ নিখুঁত করে তোলো।
33তিনি আমার পা হরিণের মত দ্রুত করেন
34তিনি যুদ্ধের জন্য আমার হাতকে প্রশিক্ষণ দেন
35তুমি আমাকে তোমার পরিত্রানের ঢাল দিয়েছ।
36তুমি আমার পায়ের জন্য,
37আমি শত্রুদের অনুসরণ করেছি
38আমি তাদের দমন করেছিলাম যাতে তারা উঠতে না পারে,
39কারণ তুমি যুদ্ধের জন্য আমার উপর শক্তি দিয়ে কটিবন্ধন করেছ;
40তুমি আমার শত্রুদেরকে আমার থেকে ফিরিয়ে দিয়েছ,
41তারা সাহায্যের জন্য চিত্কার করল,
42আমি চূর্ণ করি তাদের বাতাসের মুখে উড়ে যাওয়ার তূষের মত;
43তুমি আমাকে প্রজাদের বিরোধ থেকে উদ্ধার করেছ।
44যত তাড়াতাড়ি তারা আমার সম্পর্কে শুনেছে,
45বিদেশীরা হতাশ হয়ে পড়েছে,
46সদাপ্রভুু জীবন্ত,
47তিনি সেই ঈশ্বর,
48তিনিই উদ্ধার করেছেন আমায় শত্রুদের কবল থেকে,
49তাই সদাপ্রভুু, আমি তোমাকে ধন্যবাদ দেব,
50ঈশ্বর তাঁর রাজাকে মহা বিজয় দেন