1তারপর সদাপ্রভু ইয়োবকে ভয়ঙ্কর ঝড়ের মধ্যে থেকে ডাকলেন এবং বললেন,
2“এ কে যে জ্ঞানহীন কথা দ্বারা আমার পরিকল্পনায় অন্ধকার নিয়ে আসে?
3তুমি এখন পরুষের মত তোমার কোমর বাঁধ,
4যখন আমি পৃথিবীর ভিত স্থাপন করছিলাম তখন তুমি কোথায় ছিলে?
5কে এর মাত্রা নির্ণয় করে? যদি তুমি জান,
6কিসের ওপর এটার ভিত স্থাপন করা হয়েছে?
7কখন ভোরের তারারা একসঙ্গে গান গেয়েছিল
8কে কপাট দিয়ে সমুদ্রকে আটকাল যখন তা বেরিয়ে এসেছিল,
9যখন আমি মেঘকে তার বস্ত্র করলাম
10যখন আমি এটার সীমা নিরূপন করলাম
11এবং যখন আমি এটাকে বললাম,
12তোমার জন্মের দিন থেকে, তুমি কি কখনও,
13যাতে এটা পৃথিবীর প্রান্তগুলো ধরতে পারে,
14কাদামাটি যেমন সিলমোহরের দ্বারা পরিবর্তিত হয়
15পাপীদের থেকে তাদের আলো নিয়ে নেওয়া হয়েছে;
16তুমি কি সমুদ্রের জলের উত্স স্থলে গেছো?
17মৃত্যুর দরজা কি তোমার কাছে প্রকাশ পেয়েছে?
18তুমি কি পৃথিবীর বিস্তার বুঝেছ?
19আলোর বিশ্রাম স্থানে যাওয়ার পথ কোথায় যেমন অন্ধকারের জন্য,
20তুমি কি আলো এবং অন্ধকারকে তাদের কাজের জায়গায় পরিচালনা করতে পার?
21নিঃসন্দেহে তুমি জান,
22তুমি কি কখনও বরফের জন্য ভান্ডারগৃহে ঢুকেছ
23এই জিনিস গুলো যা আমি কষ্টের দিনের র জন্য রেখেছি,
24কোন পথে কোথায় আলো ভাগ হয় অথবা
25অতিবৃষ্টির জন্য কে খাল কেটেছে,
26যেখানে কোন লোক থাকে না সেখানে বৃষ্টির জন্য
27মরুভূমি এবং নির্জন এলাকার প্রয়োজন মেটানোর উদ্দেশ্যে
28বৃষ্টির পিতা কি কেউ আছে?
29কার গর্ভ থেকে বরফ এসেছে?
30জল নিজেদেরকে লুকায়
31তুমি কি কৃত্তিকা নক্ষত্রের হার গাঁথতে পার,
32তুমি কি নক্ষত্রপুঞ্জকে তাদের সঠিক দিনের প্রকাশ পেতে চালনা দিতে পার?
33তুমি কি আকাশের নিয়ম জান?
34তুমি কি মেঘেদের ওপর তোমার স্বর তুলতে পার,
35তুমি কি বিদ্যুতকে তাদের পথে পাঠাতে পার,
36মেঘেদের মধ্যে কে জ্ঞান রেখেছে অথবা কুয়াশাকে কে বুদ্ধি দিয়েছে?
37কে তার দক্ষতায় মেঘেদের সংখ্যা গুনতে পারে?
38যখন ধূলো শক্ত হয়
39সিংহীর জন্য কি তুমি শিকার করতে পার
40যখন তারা তাদের গুহায় গুড়ি মেরে থাকে
41কে দাঁড়কাককে শিকার যুগিয়ে দেয়,